বাংলাদেশের সেরা কওমী মাদরাসা-জামালুল কুরআন মাদরাসা
জামালুল কুরআন মাদরাসা পরিচিতি
উপ-মহাদেশে ইসলাম ও মুসলমানদেরকে রক্ষা, বিজাতীয় সংস্কৃতির করালগ্রাস থেকে জাতিকে মুক্ত রাখা ও পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ব বিখ্যাত দারুল উলূম দেওবন্দ।
দারুল উলূম দেওবন্দের সেই মোহনা থেকেই বাংলাদেশসহ পৃথিবীর আনাচে কানাচে বয়ে চলছে কওমী মাদরাসার স্রোতধারা। এরই ধারাবাহিকতায় জাতি ও মিল্লাতের প্রয়োজনে রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এলাকা গেন্ডারিয়ার অধিবাসী, বিশিষ্ট দানবীর খোদাভীরু শেখ হোসেন বখস রহ: এর ওয়াকফকৃত মসজিদ ও তার পাশ্ববর্তী প্রায় ৩৬ শতাংশ ভূমির খালি অংশে, অত্র এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উদ্যোগে ১৩৮২ হিজরী মোতাবেক ১৯৬১ সালে, মুজাহিদে মিল্লাত আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী রহ: এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় আহলে সুফফার প্রতিচ্ছবি ঐতিহ্যবাহী জামালুল কুরআন মাদরাসা ।
প্রাথমিক পর্যায়ে হিফজ ও মকতবের মাধ্যমে এর শুভযাত্রা শুরু হয় । ধীরে ধীরে একদল নিষ্ঠাবান খোদাভীরু ও অভিজ্ঞ আলেমেদীনের রক্ত-ঘাম ঝরা অক্লান্ত পরিশ্রমে, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল হামিদ সাহেব রহ. এর চেষ্টা সাধনায় ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত মক্তব ও হিফজ বিভাগ পরিচালিত হতে থাকে । কালের ঝড়-ঝাপটা আর সমূহ বিপদাপদ পিছনে ফেলে সাহাবায়ে কেরাম, আইম্মায়ে মুজতাহিদীন, আকাবিরে দীন ও সালাফে সালেহীনের আদর্শকে আকড়ে ধরে সকল প্রকার বাতিশ ফেরকার মোকাবেলা ও মূলোৎপাটন করে, ইসলামের বিশুদ্ধ আকীদাবিশ্বাস জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে, মাওলানা আব্দুর রহিম রহ. এর মাধ্যমে ১৯৮৪ সনে শুরু হয় কিতাব বিভাগ। ১৯৮৬ সনে শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুল হাফীজ রহ. এর পরামর্শক্রমে মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাওলানা ইমদাদুল ইসলাম দা.বা. অত্র মাদরাসার মুহতামিমের দায়িত্ব গ্রহণ করেন । ১৯৮৬ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে অত্র মাদরাসা মেশকাত জামাতে উন্নীত হয় । অবশেষে ২০০১ সালে মুহতামিম সাহেবসহ আসাতিযায়ে কেরাম ও পরিচালনা কমিটির অক্লান্ত প্রচেষ্টায় খোলা হয় ইসলামী শিক্ষার সর্বোচ্চ ক্লাশ দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স সমমান)
মাদরাসার বিভাগ সমূহ:-
- মকতব বিভাগ
- নাজেরা বিভাগ
- হিফজ বিভাগ
- কিতাব বিভাগ
- বক্তৃতা প্রশিক্ষণ বিভাগ
- কুতুবখানা
- ছাত্র পাঠাগার
- প্রকাশনা বিভাগ
- বয়স্ক কুরআন শিক্ষা ব্যবস্থা ইত্যাদি
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন